Posts

Showing posts from February, 2022

অঙ্কে দুর্বল দু'জন চাকুরি প্রার্থীর ইন্টার্ভিউ

Image
 অঙ্কে দুর্বল দু'জন চাকুরি প্রার্থী ইন্টার্ভিউ দেওয়ার জন্য বসে রয়েছেন।🙄 #প্রথম জন ভেতরে ঢুকলেন। #অফিসারঃ মনে করুন, আপনি ট্রেনে যাত্রা করছেন। যাত্রাকালে আপনার অত্যধিক গরম লাগছে। আপনি কী করবেন? #চাকুরি প্রার্থীঃ ট্রেনের জানালা খুলে দেবো। #অফিসারঃ বাহ, খুব ভালো। এখন বলুন, জানালার ক্ষেত্রফল ১.৫ বর্গ মিটার, ট্রেনের কামরার ঘনফল ১৩ ঘনমিটার, পশ্চিমদিকে ট্রেনের গতিবেগ ৮০কিমি/ঘন্টা এবং হাওয়ার গতিবেগ দক্ষিণ দিকে ৫মাইল/সেকেন্ড হলে ট্রেনের কামরা ঠাণ্ডা হতে কত সময় লাগবে? #চাকুরি প্রার্থী কোন উত্তর দিতে পারলেন না। বেরিয়ে এসে দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীকে প্রশ্নের বিষয়ে জানালেন। এবার দ্বিতীয় জন ভিতরে ঢুকলেন। #অফিসারঃ মনে করুন, আপনি ট্রেনে যাত্রা করছেন। যাত্রাকালে আপনার অত্যধিক গরম লাগছে। আপনি কী করবেন? #দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ কোট খুলে ফেলবো। #অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে কী করবেন? #দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ জামা খুলে ফেলবো।😂 #অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে?😆 #দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ প্যান্ট খুলে ফেলবো। (বিরক্ত হয়ে) #অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে? দ্বিতীয় চাকরিপ্রার্থীঃ জাঙ্গিয়া খুলে ফেলবো। (প্রচণ্ড রেগে গিয়ে...

পৃথিবীতে কোন কিছুই success নয়

Image
 পৃথিবীতে কোন কিছুই success নয়  এক মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে পাওয়া চিঠি : যখন জন্মালাম বাবা মা ভাবল এটা তাদের success, যখন হাটতে শিখলাম মনে হল এটাই success, যখন কথা বলতে শিখলাম মনে হল এটাই success,  ভুল ভাঙল, এরপর স্কুলে গেলাম,শিখলাম first হওয়াটা success, এরপর বুঝলাম না আসলে মাধ্যমিকে স্টার পাওয়াটা success, ভুল ভাঙল,বুঝলাম উচ্চমাধ্যমিকে এই রেসাল্টটা ধরে রাখাই success, এখানেই শেষ নয়, এরপর বুঝলাম ভালো সাবজেক্ট নিয়ে ভালো কলেজে চান্স পাওয়াটাই success, পরে বুঝলাম না কলেজ শেষে চাকরী পাওয়াটা success, এরপর বুঝলাম না,নিজের টাকায় একটা ফ্ল্যাট কেনাটা success, সেটাও নয়,নিজের টাকায় এরপর গাড়ি কেনাটাই আসল success, আবার ভুল ভাঙল, এরপর দেখলাম বিয়ে করে সংসার করাটাই success, বছর ঘুরলো,দেখলাম আসলে বিয়ে করে বংশধর এনে তাকে বড় করাটাই success, ছেলে হলে সে প্রতিষ্ঠিত হওয়াটাই success,মেয়ে হলে ভালো বাড়িতে বিয়ে দেওয়াটাই success, এরপর এলো রিটায়ারমেন্ট, সারা জীবনের জমানো টাকার সঠিক utilization ই success... এরপর যখন সবাই মিলে কবরে শুইয়ে দিল,তখন বুঝলাম পৃথিবীতে কোন কিছুই success নয় ,  পুরো টাই comp...

নিয়োগ.... বেতন ১২৫০০ টাকা

Image
 চিন্তা করছি একটা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিমু।  পদসংখ্যা থাকবে ৪৬ টা। বেতন জাতীয় বেতন স্কেলের ১১ তম গ্রেড অর্থাৎ বেসিক বেতন পাবে ১২৫০০ টাকা।  আবেদন ফি থাকবে ৫০০ টাকা আর আবেদন করবে ৪ লাখ বেকার গ্রাজুয়েট। নিয়োগ থেকে আমার আয় হবে ৪,০০,০০০x৫০০ =২০,০০,০০,০০০ টাকা। ২০ কোটি টাকা আয় হয়ে গেল! ৪৬  জন নিয়োগও পেল। (এর মধ্যে যদি দু'চার দশ বিশ জন আমাকে চাকরি পাওয়ার জন্য চার পাঁচ লাখ টাকা করে দেয়, তাহলেও মন্দ না। এখানেও আমার আয় হয় ৫ লাখx২০=১০০ লাখ বা ১ কোটি। যাইহোক, আমি সৎ মানুষ হিসেবে এই ১ কোটি টাকা মনে করেন নিলাম না) এবার ৪৬ জনকে ১২৫০০ বেসিক হিসেবে অন্যান্য ভাতাসহ ১৬০০০ টাকা বেতন দিমু।  প্রতি মাসে আমার খরচ হবে ৪৬x১৬০০০=৭,৩৬,০০০ টাকা। ১২ মাস বা এক বছরে ৪৬ জনের বেতন দিতে আমার খরচ হবে ৭৩৬০০০x১২= ৮৮৩২০০০ টাকা। ১ বছরে আমার খরচ হবে ৮৮,৩২,০০০ টাকা। অতএব  ২০বছরে খরচ হবে ২০x৮৮৩২০০০=  ১৭,৬৬,৪০,০০০ টাকা। অর্থাৎ ২০ বছর ৪৬ জনকে বেতন দিয়া চালালে আমার খরচ হবে মাত্র ১৭ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মাত্র।  এরপরেও নিয়োগ দেওয়ার সময় যে ২০ কোটি টাকা আয় করছিলাম, সেখান থেকে আরও বাকি থাকবে = ২...

আসলেই কি আমরা নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছি?

Image
 বাবার সাথে প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে ব্যাংকে বসে আছি। বিরক্ত হচ্ছি খুব। যতনা  নিজের উপর। তার চেয়ে  বেশি বাবার উপর। অনেকটা রাগ করেই বললাম- বাবা- কতবার বলেছি- অনলাইন ব্যাংকিংটা শিখো।  এটা শিখলে কি হবে? ঘরে বসেই তুমি এই সামান্য কাজটা করতে পারতে।  শুধু ব্যাংকিং না। শপিংটাও তুমি অনলাইনে করতে পারো। ঘরে বসে ডেলিভারি পেতে পারো।  খুবই সহজ। কিন্তু এই সহজ জিনিসটাই করবেনা। করলে আমাকে ঘরের বাইরে বের হতে হতোনা- তাই না? জ্বি বাবা তাই।  এখানে এসে ঘন্টা খানেক অনর্থক বসে থাকতে হতোনা! এরপর বাবা যা বললেন- তাতে আমি নির্বাক হয়ে গেলাম! বাবা বললেন- এতো সময় বাঁচিয়ে তোমরা কি করো। ফোনেইতো সারাক্ষণ টিপাটিপি করো। কবে শেষদিন তুমি তোমার ফুফুর সাথে কথা বলেছো? দশ হাত দূরে প্রতিবেশী বৃদ্ধ জামিল চাচার খবর নিয়েছো! অথচ, আপন জনের সাথে দেখা করতে দশ মাইল পথ হেঁটেছি। সময় বাঁচানোর চিন্তা করিনি। মানুষ যদি মানুষের পাশেই না যায়- তবে এতো সময় বাঁচিয়ে কি হবে বলো। বাবার কথা পাশ থেকে মানুষেরা শুনছেন। আমি চুপচাপ বসে আছি। বাবা বললেন- ব্যাংকে প্রবেশের  পর থেকে চারজন বন্ধুর সাথে কোশল বিনিময় করেছি। তুমি জ...

আপনারা কি জানেন ব্যাংকের চেকে টাকার অঙ্ক ওয়ার্ড ও ফিগার দুটোতেই লেখা বাধ্যতা মূলক কেন?

Image
 আপনারা কি জানেন ব্যাংকের চেকে টাকার অঙ্ক ওয়ার্ড ও ফিগার দুটোতেই লেখা বাধ্যতা মূলক কেন? না জানা থাকলে নিচের লেখাটি পড়ুন। বিকেল ৪.৩০ এ ব্যাঙ্ক দিনের মতো বন্ধ হবার সময় ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অত্যন্ত মিষ্টি,সুরেলা কণ্ঠে এক মহিলার ফোন পেলেন। ফোনের ওপার হতে সেই লাস্যময়ী রমণী পাহাড়ের ওপর থেকে ঝরে পড়া ঝর্নার মতো কলকলিয়ে বললেন,"স্যার, আমার দুলক্ষ টাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। আমি দশ মিনিটের মধ্যে চেক নিয়ে আসছি, আপনি কি আমার জন্যে একটু অপেক্ষা করবেন? মহিলার সুমধুর কণ্ঠস্বরে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অভিভূত হয়ে গেলেন আর ক্যাশিয়ারকে দুলক্ষ টাকা রেডি রাখার আদেশ দিলেন। বাড়ি ফেরার সময় ক্যাশিয়ার গজগজ করতে করতে দু লাখ টাকা রেডি করতে লাগলেন। এরই মধ্যে এক বেহিসাবি মোটা,বেঢপ যৌবন অস্তগামী এক মহিলা থপাস থপাস করে ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের অফিসের দরজা ঈষৎ ফাঁক করে সেই সুরেলা গলায় বললেন,"স্যার ভিতরে আসতে পারি"? ম্যানেজার  এতক্ষণ যে এক সুন্দরী মহিলার চেহারা মানসলোকে দর্শন করছিলেন...কিন্তু বাস্তবের এই বেঢপ,যৌবন অস্তগামী মহিলাকে দেখে ক্ষণকালের জন্যে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। পরক্ষনেই নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন,"স...

মৃত্যুশয্যায় তিন ইচ্ছা

Image
   মৃত্যুশয্যায় আলেকজান্ডার তাঁর সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, ‘আমার মৃত্যুর পর ৩টা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে। এতে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে। প্রথম অভিপ্রায়, শুধু চিকিৎসকরা আমার কফিন বহন করবেন। দ্বিতীয় অভিপ্রায়, আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্তানে নিয়ে যাওয়া হবে, সেই পথে কোষাগারে সংরক্ষিত সোনা, রুপা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর ছড়িয়ে দিতে হবে।  শেষ ইচ্ছে, কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ’ তাঁর মৃত্যুশয্যায় উপস্থিত লোকজন মহাবীর আলেকজান্ডারের এই অদ্ভুত অভিপ্রায়ে বিস্মিত হন। কিন্তু এ ব্যাপারে তাঁকে কিছু জিজ্ঞেস করার সাহস পাচ্ছিলেন না কেউ। তখন আলেকজান্ডারের একজন প্রিয় সেনাপতি তাঁর হাতটা তুলে ধরে চুম্বন করে বলেন, ‘হে মহামান্য, অবশ্যই আপনার সব অভিপ্রায় পূর্ণ করা হবে; কিন্তু আপনি কেন এই বিচিত্র অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন?’ দীর্ঘ একটা শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, ‘আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই। আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে বলেছি এ কারণে যে, যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে চিকিৎসকরা আসলে কোনো মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারেন না। তাঁরা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা থেকে ...

অশ্লীল গল্প, সেক্স ভিডিও এসব দেখার আগে দয়া করে এই পোস্টটি পড়ুন।

Image
  যদিও ছেলের কথাটি উল্লেখ করা আছে  কিন্তু ছেলে মেয়ে দুজনের জন্যই এই পোস্টটি। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে ছেলেটি মোবাইলে কি যেনো একটা দেখছে! অন্ধকার গাঢ় আবছা, কানে ইয়ারফোন। দেখছে যিনার দৃশ্য। স্বাদ নিচ্ছে তার চোখ। বড় বড় করে তাকিয়ে আছে ছেলেটি দেখছে গোপনে নিকৃষ্ট দৃশ্যগুলি। নিস্তব্ধ রাত ১১ টা বেজে ২০ মিনিট। নেকেড দেখছে, বা অবৈধ কোনো নারীর সাথে যিনার আলাপ করছে নিভৃতে। কত স্বাদ গুনাহ করতে! হঠাৎ - আচমকা শরীরটা ঝাকুনি দিয়ে উঠলো! ছেলেটির মনে হলো কে যেনো ঢুকেছে রুমে কিন্তু, রুমের দরজা তো আটকানো। কি ব্যাপার, কে ঢুকলো রুমে অন্ধকারে? হঠাৎ - শরীরটা শিউরে উঠলো। অজানা কেমন একটা শব্দ কানে বাজলো। অনুভব করতে পারলো, কেনো জানি শরীরটা অবস হয়ে যাচ্ছে! - হঠাৎ বা দিকে দেখলো এটা কি? - ওমাহ কে এটা? বিশাল বড় কে? আমার পাশে দাড়িয়ে আছে। কিভাবে ঢুকলো রুমে, হায় মাবুদ এ কেমন ভয়ানক মূর্তি দাড়িয়ে আছে আমার সামনে। থর থর করে কাপছে শরীর, হাত থেকে বুকের উপর পড়লো মোবাইলটা। নেকেড চলছে পুরোদমে। মোবাইলটা বুকের উপর থেকে পিছলে ছেলেটির গায়ের পাশে গিয়ে পড়লো, কিন্তু চলছে উলঙ্গ নারী - পুরুষের যিনার ভিডিও। হয়তো মৃত্যুর ডাক পড়ে গেলো...

সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার চেহাটা দেখলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।”

Image
 আমার স্ত্রী দেখতে কালো বলে আমার মা আগে থেকেই বলে রেখেছে আমার স্ত্রী ভুলেও যেন সকালে  আমার ছোট বোনের রুমে না যায়। আমার ছোট বোন ৭মাসের প্রেগন্যান্ট।মেয়ের যেন এই অবস্থায় কোন অযত্ন না হয় তাই মা ছোট বোনকে নিজের কাছে এনে রেখেছেন।  সেদিন সকালে ছোট বোনের চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে গেলো। তড়িঘড়ি করে বোনের রুমে গেলাম। ভাবলাম বোনের আবার কোন সমস্যা হলো না কি। রুমে গিয়ে দেখি আমার ছোট বোন আমার স্ত্রীকে বলছে, -”তোমাকে না বলেছি সকাল সকাল আমার রুমে না আসতে।সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার চেহাটা দেখলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।” আমি আমার ছোট বোনকে বললাম, --তোর রুমে এসেছে বলে কি হয়েছ? তাছাড়া আমার বউয়ের চেহারার মাঝে কি এমন আছে যার জন্য তোর মেজাজ খারাপ হয়ে যায়? ছোটবোন কিছু না বলে চুপ হয়ে আছে। অন্য রুম থেকে তখন মা এসে বললো, -” সকালে ঘুম থেকে উঠে অলক্ষ্মীর চেহারা দেখলে কার মেজাজ ভালো থাকে? আমার মেয়েটার কয়েকদিন পর বাচ্চা হবে। মেয়েদের বাচ্চা হবার আগে আগে যার চেহারা বেশি বেশি দেখবে বাচ্চা তার মতই হবে। আমি চাই না আমার মেয়ের সন্তান তোর বউয়ের মত হোক। দুনিয়ার সব মানুষ তো তোর মত বোকা না যে কালো চামড়ার মেয়ে বিয়ে করব...